Drinking WaterMiscellaneous 

আর্সেনিকমুক্ত জলের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : আর্সেনিকমুক্ত জলের জন্য রাজ্যকে সময়সীমা বেঁধে দিল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার জনবসতি এলাকায় ৪৪ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ আর্সেনিকের কবলে। জানা গিয়েছে, গত ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত হিসেবের উপর ভিত্তি করেই এই তথ্য সামনে এসেছে। তা পেশ হয়েছে গ্রিন ট্রাইব্যুনালে। এই ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা উদ্বেগজনকও বলা হয়েছে।

আর্সেনিকযুক্ত জল থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি। সূত্রের আরও খবর, জলসম্পদ মন্ত্রকের পেশ করা এই তথ্য সামনে রেখে জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনালের সূত্রে জানানো হয়, ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে এই সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ করতে হবে। আবার আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করতে হবে।

উল্লেখ করা যায়, ২০১৫ সাল থেকে চলা এক মামলায় ট্রাইব্যুনালের পূর্বাঞ্চলীয় বেঞ্চের বিচারপতি এস পি ওয়াংদি ও প্রশাসনিক সদস্য ডঃ নগিন নন্দার বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায়, ১৯৮০ সালে রাজ্যে আর্সেনিক দূষণের প্রভাবের কথা সামনে আসে। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, প্রতি লিটার পানীয় জলে ০.০৫ মিলিগ্রাম পর্যন্ত আর্সেনিক থাকলে তা পানযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও সমীক্ষা করা হয়েছে।

আবার তথ্য ও সংবাদের প্রেক্ষিতে পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত বিষয়টি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই মামলায় বলা হয়েছে, অনেক মানুষ সহনমাত্রার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ আর্সেনিক পান করছেন। এক্ষেত্রে পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় প্রতি লিটারে ৩.৭৭ মিলিগ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২.৭২ মিলিগ্রাম, মালদহে ১.০৪ মিলিগ্রাম, মুর্শিদাবাদে ৩ মিলিগ্রাম, নদিয়ায় ১.১৬ মিলিগ্রাম, হুগলিতে ০.৫১ মিলিগ্রাম, হাওড়ায় ০.১৬ মিলিগ্রাম ও বর্ধমানে ০.৮৪ মিলিগ্রাম।

Related posts

Leave a Comment